ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের

এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এবার এই অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলো হাইকোর্ট।

আজ রোববার ৬ আগস্ট বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ অনুমতি ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তর নিয়ে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান করে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন ।একইসঙ্গে এই অর্থ পাচার ঠেকাতে বিএফআইইউ, দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এর আগে ৪ আগস্ট ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারে ‘এস আলম’স আলাদিন’স ল্যাম্প’ (এস আলমের আলাদিনের চেরাগ) শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আজ হাইকোর্টের উল্লিখিত বেঞ্চের নজরে আনেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। প্রতিবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

আদেশের বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, দেশের সব আইন অমান্য করে দেশের বাইরে বিপুল অংকের টাকা নিয়ে গেছেন এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে আমি আদালতের নজরে আনি। তখন আদালত এ বিষয়ে রুল জারির পাশাপাশি অন্তবর্তী আদেশ দিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৩

এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এবার এই অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলো হাইকোর্ট।

আজ রোববার ৬ আগস্ট বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ অনুমতি ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তর নিয়ে এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান করে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন ।একইসঙ্গে এই অর্থ পাচার ঠেকাতে বিএফআইইউ, দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এর আগে ৪ আগস্ট ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারে ‘এস আলম’স আলাদিন’স ল্যাম্প’ (এস আলমের আলাদিনের চেরাগ) শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আজ হাইকোর্টের উল্লিখিত বেঞ্চের নজরে আনেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। প্রতিবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

আদেশের বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, দেশের সব আইন অমান্য করে দেশের বাইরে বিপুল অংকের টাকা নিয়ে গেছেন এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে আমি আদালতের নজরে আনি। তখন আদালত এ বিষয়ে রুল জারির পাশাপাশি অন্তবর্তী আদেশ দিয়েছেন।