ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শারীরিক প্রতিবন্ধী পোশাক শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

গাজীপুর সদর উপজেলায় শারীরিক প্রতিবন্ধী এক পোশাক শ্রমিককে (২৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সহকর্মী পোশাক শ্রমিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পাবনার বেড়া উপজেলার বারোদা গ্রামের মুহাম্মদ হান্নান (৩০), গাজীপুর সদরের মনিপুর গ্রামের নীরব হোসেন (২১), আজহার (১৯) এবং পাশের জৈনাতলা এলাকার জহিরুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া সোহাগ হোসেন (২০)। বাকি দুজন এখনো পলাতক।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণী একটি পোশাক কারখানায় হেলপার পদে চাকরি করেন। কাজের সুবাদে কারখানার এক অপারেটরের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চটপটি খেতে বাসা থেকে বের হন ওই তরুণী। পথে সহকর্মীর সঙ্গে দেখা হলে দুজন কথা বলতে বলতে হাঁটতে থাকেন। গজারিবনের কাছে পৌঁছালে গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিরা দুজনকে ধরে বনের ভেতর নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে তরুণীর সহকর্মীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেন এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত হান্নান। অন্যরা ভয়ভীতি দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে স্থানীয় লোকজন গজারিবনের ভেতর লোকজনের আনাগোনা দেখে এগিয়ে গেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যান।

জয়দেবপুর থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, ওই তরুণী অসুস্থ থাকায় গত বৃহস্পতিবার থানায় এসে মামলা করেন। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শারীরিক প্রতিবন্ধী পোশাক শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

গাজীপুর সদর উপজেলায় শারীরিক প্রতিবন্ধী এক পোশাক শ্রমিককে (২৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সহকর্মী পোশাক শ্রমিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পাবনার বেড়া উপজেলার বারোদা গ্রামের মুহাম্মদ হান্নান (৩০), গাজীপুর সদরের মনিপুর গ্রামের নীরব হোসেন (২১), আজহার (১৯) এবং পাশের জৈনাতলা এলাকার জহিরুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া সোহাগ হোসেন (২০)। বাকি দুজন এখনো পলাতক।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণী একটি পোশাক কারখানায় হেলপার পদে চাকরি করেন। কাজের সুবাদে কারখানার এক অপারেটরের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও বন্ধুত্ব হয়। গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চটপটি খেতে বাসা থেকে বের হন ওই তরুণী। পথে সহকর্মীর সঙ্গে দেখা হলে দুজন কথা বলতে বলতে হাঁটতে থাকেন। গজারিবনের কাছে পৌঁছালে গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিরা দুজনকে ধরে বনের ভেতর নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে তরুণীর সহকর্মীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেন এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত হান্নান। অন্যরা ভয়ভীতি দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে স্থানীয় লোকজন গজারিবনের ভেতর লোকজনের আনাগোনা দেখে এগিয়ে গেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যান।

জয়দেবপুর থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, ওই তরুণী অসুস্থ থাকায় গত বৃহস্পতিবার থানায় এসে মামলা করেন। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।