ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতায় নিহত ২১

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাস হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে দেশটিতে ইতোমধ্যে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একই সঙ্গে সামনের দিনগুলোতে আবারও বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ রিও গ্রান্ডে দো সুলের গভর্নর এডুয়ারর্তো লেইতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ব্রাজিলে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড় আমাদের প্রদেশের ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল। বন্যার পানি কমে যাওয়ার পরই আমরা হতাহতের খবরটি জানতে পারি। এতে আমি শোকাহত। শুধু মুকুম শহরেই ১৫টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মাধ্যম নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।

স্থানীয় গণমাধ্যম জিজেডএইচের তথ্যমতে, পাঁচ হাজার মানুষের শহর মুকুম সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাকওয়ারি নদীর পানি উপচে পড়ে ছোট শহরটির ৮৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ বলছে, দক্ষিণাঞ্চলের ৬৭ মিউনিসিপ্যাল ঘূর্ণিঝড়টির শিকার হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫২ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্রাজিলে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতায় নিহত ২১

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও প্রচণ্ড বাতাস হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে দেশটিতে ইতোমধ্যে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, একই সঙ্গে সামনের দিনগুলোতে আবারও বন্যা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ রিও গ্রান্ডে দো সুলের গভর্নর এডুয়ারর্তো লেইতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ব্রাজিলে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড় আমাদের প্রদেশের ইতিহাসের অন্যতম মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল। বন্যার পানি কমে যাওয়ার পরই আমরা হতাহতের খবরটি জানতে পারি। এতে আমি শোকাহত। শুধু মুকুম শহরেই ১৫টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মাধ্যম নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।

স্থানীয় গণমাধ্যম জিজেডএইচের তথ্যমতে, পাঁচ হাজার মানুষের শহর মুকুম সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাকওয়ারি নদীর পানি উপচে পড়ে ছোট শহরটির ৮৫ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ বলছে, দক্ষিণাঞ্চলের ৬৭ মিউনিসিপ্যাল ঘূর্ণিঝড়টির শিকার হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫২ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা।