রানের পাহাড় গড়ে সহজে জিতলো লক্ষ্ণৌ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩
  • ১৬৮৯ বার পড়া হয়েছে

বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে রানের পাহাড় গড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ৩৮তম ম্যাচে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ৫৬ রানে হারিয়েছে পাঞ্জাব কিংসকে।

গতরাতে মোহালিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় লক্ষ্ণৌ। মাত্র ৭ রানের জন্য আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড গড়তে পারেনি লখনৌ। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিলো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।
লক্ষ্ণৌর পক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মার্কাস  স্টয়নিস ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭২ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইল মায়ার্স ২৪ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন। এছাড়া আয়ুশ বাদোনি ২৪ বলে ৪৩, নিকোলাস পুরান ১৯ বলে ৪৫ রান করেন। পাঞ্জাবের দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন।

 

লক্ষ্ণৌর পুরো ইনিংসে ৪১টি চার (২৭টি) ও ছক্কা (১৪টি) হয়েছে। যা আইপিএলের রেকর্ড বইয়ে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা পেয়েছে। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪২টি চার-ছক্কার রেকর্ড ব্যাঙ্গালুরুর দখলে। ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস গড়ার পথে ৪২বার বলকে সীমানা ছাড়া করেছিলো ব্যাঙ্গালুরু।

২৫৮ রানের বিশাল টার্গেটের জবাবটা ঠিকঠাক দিতে পারেনি পাঞ্জাবের ব্যাটাররা। ১ বল বাকী থাকতে ২০১ রানে গুটিয়ে যায় তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন অথর্ব তাইদে ।  ৩৬ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা। লক্ষেèৗর জশ ঠাকুর ৩৭ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন স্টয়নিস।
এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে থেকে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে লক্ষ্ণৌ। সমানসংখ্যক ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠস্থানে পাঞ্জাব

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রানের পাহাড় গড়ে সহজে জিতলো লক্ষ্ণৌ

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩

বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে রানের পাহাড় গড়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ৩৮তম ম্যাচে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ৫৬ রানে হারিয়েছে পাঞ্জাব কিংসকে।

গতরাতে মোহালিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় লক্ষ্ণৌ। মাত্র ৭ রানের জন্য আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড গড়তে পারেনি লখনৌ। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিলো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।
লক্ষ্ণৌর পক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মার্কাস  স্টয়নিস ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭২ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইল মায়ার্স ২৪ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন। এছাড়া আয়ুশ বাদোনি ২৪ বলে ৪৩, নিকোলাস পুরান ১৯ বলে ৪৫ রান করেন। পাঞ্জাবের দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা ৫৪ রানে ২টি উইকেট নেন।

 

লক্ষ্ণৌর পুরো ইনিংসে ৪১টি চার (২৭টি) ও ছক্কা (১৪টি) হয়েছে। যা আইপিএলের রেকর্ড বইয়ে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা পেয়েছে। এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪২টি চার-ছক্কার রেকর্ড ব্যাঙ্গালুরুর দখলে। ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস গড়ার পথে ৪২বার বলকে সীমানা ছাড়া করেছিলো ব্যাঙ্গালুরু।

২৫৮ রানের বিশাল টার্গেটের জবাবটা ঠিকঠাক দিতে পারেনি পাঞ্জাবের ব্যাটাররা। ১ বল বাকী থাকতে ২০১ রানে গুটিয়ে যায় তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন অথর্ব তাইদে ।  ৩৬ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা। লক্ষেèৗর জশ ঠাকুর ৩৭ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন স্টয়নিস।
এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে থেকে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে লক্ষ্ণৌ। সমানসংখ্যক ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠস্থানে পাঞ্জাব