ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, ৭ শিক্ষক নিহত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩
  • ১৬৮৬ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি স্কুলের স্টাফ রুমে ঢুকে সাত শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রদেশের আপার কুররাম জেলার তহসিলেনের তেরি মেঙ্গল স্কুলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ জানায়, তেরি মেঙ্গল স্কুলের স্টাফ রুমে ঢুকে শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকেন অজ্ঞাত হামলাকারীরা। হামলার সময় সব শিক্ষক পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

কুররাম জেলা পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমরান ডন ডটকমকে বলেন, স্কুলে হামলার আগে শালোজান এলাকা হামলার ঘটনা ঘটে। স্থান দুটির মধ্যে দূরত্ব ছয় কিলোমিটার।

কুররাম জেলা সদর হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট কায়সার আব্বাস জানান, দুই ঘটনায় আটজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে স্কুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাতজন ‘শিক্ষক’ নিহত হয়েছেন।

গত নভেম্বরে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থেকে সরে এলে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বাড়তে থাকে। অধিকাংশ হামলার ঘটনা খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে ঘটছে।

ডনের খবরে বলা হয়, ২০১৮ সালের পর গত জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ওই মাসে ৪৪টি সন্ত্রাসী হামলায় ১৩৪ জন নিহত এবং ২৫৪ জন আহত হন।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাকিস্তানে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, ৭ শিক্ষক নিহত

আপডেট সময় : ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি স্কুলের স্টাফ রুমে ঢুকে সাত শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রদেশের আপার কুররাম জেলার তহসিলেনের তেরি মেঙ্গল স্কুলে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজ জানায়, তেরি মেঙ্গল স্কুলের স্টাফ রুমে ঢুকে শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকেন অজ্ঞাত হামলাকারীরা। হামলার সময় সব শিক্ষক পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

কুররাম জেলা পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমরান ডন ডটকমকে বলেন, স্কুলে হামলার আগে শালোজান এলাকা হামলার ঘটনা ঘটে। স্থান দুটির মধ্যে দূরত্ব ছয় কিলোমিটার।

কুররাম জেলা সদর হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট কায়সার আব্বাস জানান, দুই ঘটনায় আটজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে স্কুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাতজন ‘শিক্ষক’ নিহত হয়েছেন।

গত নভেম্বরে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থেকে সরে এলে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বাড়তে থাকে। অধিকাংশ হামলার ঘটনা খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে ঘটছে।

ডনের খবরে বলা হয়, ২০১৮ সালের পর গত জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ওই মাসে ৪৪টি সন্ত্রাসী হামলায় ১৩৪ জন নিহত এবং ২৫৪ জন আহত হন।