ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ার সোনাতলায় পরিত্যক্ত হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৫৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার সোনাতলার নিত্যানন্দপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক রাজুর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় মাহাবুব পবন নামে এক কিশোর ওই বাঁশঝাড়ে বর্জ্য পদার্থ ফেলার জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে গ্রেনেডটি পায়। গুপ্তধন ভেবে গ্রেনেড বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাঙার চেষ্টাও করে সে। এ সময় তার চাচা শাহনেওয়াজ তালুকদার বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত গ্রেনেড বাড়ির সামনের খোলা মাঠে রেখে পুলিশে খবর দেন।

শাহনেওয়াজ তালুকদার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক রাজু আমার ফুফাতো ভাই। একবার তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বগুড়া শহরে অপারেশন করে রাইফেল বদলাতে বাড়িতে এসেছিলেন। আবারও শহরে যাওয়ার সময় আটটি হ্যান্ড গ্রেনেড তিনি টিনের কৌটায় করে ওই বাঁশঝাড়ের নিচে পুঁতে রেখেছিলেন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলো আর পাওয়া যায়নি। এই গ্রেনেডটি ওই আটটির একটি হতে পারে।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান জানান, একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রেনডটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেনেডটি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকার বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তারা এলে এটি নিষ্ক্রিয় করা হবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়ার সোনাতলায় পরিত্যক্ত হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০২৩

বগুড়ার সোনাতলার নিত্যানন্দপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক রাজুর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় মাহাবুব পবন নামে এক কিশোর ওই বাঁশঝাড়ে বর্জ্য পদার্থ ফেলার জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে গ্রেনেডটি পায়। গুপ্তধন ভেবে গ্রেনেড বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাঙার চেষ্টাও করে সে। এ সময় তার চাচা শাহনেওয়াজ তালুকদার বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত গ্রেনেড বাড়ির সামনের খোলা মাঠে রেখে পুলিশে খবর দেন।

শাহনেওয়াজ তালুকদার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল হক রাজু আমার ফুফাতো ভাই। একবার তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বগুড়া শহরে অপারেশন করে রাইফেল বদলাতে বাড়িতে এসেছিলেন। আবারও শহরে যাওয়ার সময় আটটি হ্যান্ড গ্রেনেড তিনি টিনের কৌটায় করে ওই বাঁশঝাড়ের নিচে পুঁতে রেখেছিলেন। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলো আর পাওয়া যায়নি। এই গ্রেনেডটি ওই আটটির একটি হতে পারে।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান জানান, একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রেনডটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেনেডটি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঢাকার বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তারা এলে এটি নিষ্ক্রিয় করা হবে।