সব দলকে অনুমতি দেয়া হবে না- ডিএমপি কমিশনার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
  • ১৭৬৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি- ইন্টারনেট।

সব দলকে অনুমতি দেয়া হবে না, কয়েকটি দলকে তাদের সমাবেশের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।

বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টায় রাজধানীর পুরান ঢাকার হোসনি দালানে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘সমাবেশ আয়োজনের জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ এ পর্যন্ত মোট ৯টি রাজনৈতিক দলের আবেদন পেয়েছি। আমরা পর্যালোচনা করে, কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে কয়েকটি দলকে তাদের সমাবেশের জন্য অনুমতি দিব।’

গোলাম ফারুক আরও বলেন, ‘যারা সমাবেশের জন্য অনুমতি পাবেন, রাজনৈতিক সমাবেশ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) দায়িত্ব এবং কর্তব্য।

আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ করব, এই যে ওয়ার্কিং ডে-তে বিশাল বিশাল সমাবেশ করে লাখ লাখ মানুষকে রাস্তায় যানজটে আটকে রাখা, সেই জিনিসটা মাথায় রেখে তারা যেন ভবিষ্যতে ওয়ার্কিং ডের কর্মসূচিগুলো পরিবর্তন করে বন্ধের দিনে নিয়ে যান। যারা সমাবেশস্থলে আসবেন, তারা যেন কোনোভাবেই লাঠিসোঁটা নিয়ে না আসেন, কোনো ব্যাগ নিয়ে না আসেন, যেখানে বিস্ফোরক দ্রব্য থাকতে পারে।’

উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) মহাসমাবেশ ডেকেছে বিএনপি। সরকার পতনের একদফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঢাকায় এ মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। সেই ২৭ তারিখেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে পাল্টা কর্মসূচি। যদিও তারা এটাকে পাল্টা সমাবেশ নয় বরং ‘শান্তি সমাবেশ’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া কর্মসূচি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও।

 

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব দলকে অনুমতি দেয়া হবে না- ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

সব দলকে অনুমতি দেয়া হবে না, কয়েকটি দলকে তাদের সমাবেশের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।

বুধবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টায় রাজধানীর পুরান ঢাকার হোসনি দালানে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘সমাবেশ আয়োজনের জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ এ পর্যন্ত মোট ৯টি রাজনৈতিক দলের আবেদন পেয়েছি। আমরা পর্যালোচনা করে, কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে কয়েকটি দলকে তাদের সমাবেশের জন্য অনুমতি দিব।’

গোলাম ফারুক আরও বলেন, ‘যারা সমাবেশের জন্য অনুমতি পাবেন, রাজনৈতিক সমাবেশ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) দায়িত্ব এবং কর্তব্য।

আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ করব, এই যে ওয়ার্কিং ডে-তে বিশাল বিশাল সমাবেশ করে লাখ লাখ মানুষকে রাস্তায় যানজটে আটকে রাখা, সেই জিনিসটা মাথায় রেখে তারা যেন ভবিষ্যতে ওয়ার্কিং ডের কর্মসূচিগুলো পরিবর্তন করে বন্ধের দিনে নিয়ে যান। যারা সমাবেশস্থলে আসবেন, তারা যেন কোনোভাবেই লাঠিসোঁটা নিয়ে না আসেন, কোনো ব্যাগ নিয়ে না আসেন, যেখানে বিস্ফোরক দ্রব্য থাকতে পারে।’

উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) মহাসমাবেশ ডেকেছে বিএনপি। সরকার পতনের একদফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঢাকায় এ মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। সেই ২৭ তারিখেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে পাল্টা কর্মসূচি। যদিও তারা এটাকে পাল্টা সমাবেশ নয় বরং ‘শান্তি সমাবেশ’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া কর্মসূচি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও।