ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৬৮৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি- অনলাইন।

বাগেরহাটের শরণখোলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়িতে ঢুকে কুপিয়ে পাপিয়া আক্তার (৩৮) নামের এক নারী ও তার মেয়ে ছাওদা জেনিকে (০৬) হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত পাপিয়া আক্তার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আবু জাফরের স্ত্রী। তিনি ধানসাগর এলাকার মো. আবদুল হোসেন খলিফার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা-মেয়েকে কুপিয়ে রেখে যায়। পরে আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা টের পেয়ে দুজনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু ছাওদা জেনিকে তার চাচার বাড়িতে নিলে সেখানেই সে মারা যায়। পাপিয়া আক্তারকে উদ্ধার করে স্থানীয় মানুষ শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পাপিয়ার পরিবারের দাবি, স্বামীর সঙ্গে বিরোধ থাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরাম হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগেরহাটে ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩

বাগেরহাটের শরণখোলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়িতে ঢুকে কুপিয়ে পাপিয়া আক্তার (৩৮) নামের এক নারী ও তার মেয়ে ছাওদা জেনিকে (০৬) হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত পাপিয়া আক্তার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আবু জাফরের স্ত্রী। তিনি ধানসাগর এলাকার মো. আবদুল হোসেন খলিফার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় কে বা কারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা-মেয়েকে কুপিয়ে রেখে যায়। পরে আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা টের পেয়ে দুজনকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু ছাওদা জেনিকে তার চাচার বাড়িতে নিলে সেখানেই সে মারা যায়। পাপিয়া আক্তারকে উদ্ধার করে স্থানীয় মানুষ শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পাপিয়ার পরিবারের দাবি, স্বামীর সঙ্গে বিরোধ থাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরাম হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।