ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত

পানি নেমে যাওয়ার পাঁচ দিন পরও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি। সর্বত্রই যেন বন্যার ক্ষত ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। শহরের প্রধান বাজারও কাদায় সয়লাব। সেখানে অল্প কিছু বিক্রেতা বসলেও পণ্যের সরবরাহ কম। বিভিন্ন সড়ক ও ভবনে বন্যার পানির সঙ্গে আসা পলি এখনো পরিষ্কার করা যায়নি। স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ।

গত বৃহস্পতিবার পানি নামার পর অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ এলেও স’মিল এলাকায় বিদ্যুৎ আসেনি। গত ৯ দিন বিদ্যুৎ না আসায় পানিও পাচ্ছেন না এখানকার বাসিন্দারা।

শহরের বিভিন্ন সড়কে এখনো রয়ে গেছে কাদামাটি। অভ্যন্তরীণ বেশির ভাগ সড়কের অবস্থা করুণ। ডুবে গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি–বেসরকারি অফিসগুলোতে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে জোরেসোরে। বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ায় লোকজন এখনো আশ্রয়কেন্দ্র ও স্বজনদের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন।

বান্দরবানে অতিবৃষ্টি শুরু হয় ৬ আগস্ট। ৭ আগস্ট থেকে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কে পানি উঠে জেলার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া বন্যায় ধসে গিয়ে রুমা ও থানচির সঙ্গে জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সদরের ডিসি, এসপির কার্যালয়সহ বেশির ভাগ সরকারি–বেসরকারি কার্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভিজে যাওয়া কিছু নথি কার্যালয়ের সিঁড়ির পাশে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পানি পরিশোধন কেন্দ্র পানিতে ডুবে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় পানি সরবরাহব্যবস্থা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ১১:০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৩

পানি নেমে যাওয়ার পাঁচ দিন পরও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি। সর্বত্রই যেন বন্যার ক্ষত ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। শহরের প্রধান বাজারও কাদায় সয়লাব। সেখানে অল্প কিছু বিক্রেতা বসলেও পণ্যের সরবরাহ কম। বিভিন্ন সড়ক ও ভবনে বন্যার পানির সঙ্গে আসা পলি এখনো পরিষ্কার করা যায়নি। স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ।

গত বৃহস্পতিবার পানি নামার পর অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ এলেও স’মিল এলাকায় বিদ্যুৎ আসেনি। গত ৯ দিন বিদ্যুৎ না আসায় পানিও পাচ্ছেন না এখানকার বাসিন্দারা।

শহরের বিভিন্ন সড়কে এখনো রয়ে গেছে কাদামাটি। অভ্যন্তরীণ বেশির ভাগ সড়কের অবস্থা করুণ। ডুবে গেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি–বেসরকারি অফিসগুলোতে পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে জোরেসোরে। বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ায় লোকজন এখনো আশ্রয়কেন্দ্র ও স্বজনদের বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন।

বান্দরবানে অতিবৃষ্টি শুরু হয় ৬ আগস্ট। ৭ আগস্ট থেকে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কে পানি উঠে জেলার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া বন্যায় ধসে গিয়ে রুমা ও থানচির সঙ্গে জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সদরের ডিসি, এসপির কার্যালয়সহ বেশির ভাগ সরকারি–বেসরকারি কার্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভিজে যাওয়া কিছু নথি কার্যালয়ের সিঁড়ির পাশে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পানি পরিশোধন কেন্দ্র পানিতে ডুবে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় পানি সরবরাহব্যবস্থা।