নায্য দাম থেকে বঞ্চিত নওগাঁর আলু চাষিরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
  • ১৬৯২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় চলতি বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাজারে আলুর কাঙ্খিত দাম না পেয়ে হতাশ চাষিরা। তাদের অভিযোগ, হাটে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে মিলছে না ন্যায্য দাম।

নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার মান্দা, আত্রাই, মহাদেবপুর বদলগাছী ও রাণীনগরের নদী তীরবর্তী বেলে-দোঁয়াশ মাটিতে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় আলু। জেলার মাঠগুলোতে প্রায় ১০০ দিন নীবিড় পরিচর্যার পর এখন সেই আলু ঘরে তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

তবে মাঠ পর্যায়ে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলার আনন্দ থাকলেও এসব আলু হাটে নেয়ার পর হতাশ চাষিরা। জেলার হাটগুলোতে প্রতিমণ আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে। ফলে কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।
চাষিরা বলেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বাজার। এতে আলুর ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। 
এছাড়া চলতি মৌসুমের মাঝামাঝিতে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ফসল নষ্ট হয়েছে বলেও জানান চাষিরা। তারা আরও বলেন, বাজারে সার, তেলসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক জিনিসের দাম বেড়েছে। এতে চাষাবাদে গুণতে হয়েছে বাড়তি খরচ।

এদিকে উন্নত জাত আর আধুনিক চাষাবদে চলতি বছর ভালো ফলন হয়েছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. মনজুর এ মওলা বলেন, বিদেশে রফতানিযোগ্য আলুর জাতগুলো উন্নত করতে পারলে কৃষকের ক্ষতির শঙ্কা কমে আসবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ২০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে, যা থেকে ৪ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিকটন আলু কৃষকের ঘরে উঠেছে।
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নায্য দাম থেকে বঞ্চিত নওগাঁর আলু চাষিরা

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

নওগাঁয় চলতি বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাজারে আলুর কাঙ্খিত দাম না পেয়ে হতাশ চাষিরা। তাদের অভিযোগ, হাটে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে মিলছে না ন্যায্য দাম।

নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার মান্দা, আত্রাই, মহাদেবপুর বদলগাছী ও রাণীনগরের নদী তীরবর্তী বেলে-দোঁয়াশ মাটিতে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় আলু। জেলার মাঠগুলোতে প্রায় ১০০ দিন নীবিড় পরিচর্যার পর এখন সেই আলু ঘরে তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

তবে মাঠ পর্যায়ে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলার আনন্দ থাকলেও এসব আলু হাটে নেয়ার পর হতাশ চাষিরা। জেলার হাটগুলোতে প্রতিমণ আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে। ফলে কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।
চাষিরা বলেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বাজার। এতে আলুর ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। 
এছাড়া চলতি মৌসুমের মাঝামাঝিতে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ফসল নষ্ট হয়েছে বলেও জানান চাষিরা। তারা আরও বলেন, বাজারে সার, তেলসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক জিনিসের দাম বেড়েছে। এতে চাষাবাদে গুণতে হয়েছে বাড়তি খরচ।

এদিকে উন্নত জাত আর আধুনিক চাষাবদে চলতি বছর ভালো ফলন হয়েছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. মনজুর এ মওলা বলেন, বিদেশে রফতানিযোগ্য আলুর জাতগুলো উন্নত করতে পারলে কৃষকের ক্ষতির শঙ্কা কমে আসবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ২০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে, যা থেকে ৪ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিকটন আলু কৃষকের ঘরে উঠেছে।