
বংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না ।
২০১৪ ও ২০১৮ দুটি নির্বাচনে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের জানান, আজ শনিবার(১৫ জুলাই)বিকেলে তাদের গুলশানের দপ্তরে জামায়াতের নেতারা ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন ।
বাংলাদেশের প্রাক্–নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা ইইউর ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বেলা আড়াইটায় আবদুল্লাহ তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের চার সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক স্থায়ী হয়। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ ও মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আবদুর রব এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এ ব্যাপারে বৈঠকে মতবিনিময় হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবদুল্লাহ তাহের ।
আবদুল্লাহ তাহের আরও বলেন, ‘ নির্বাচনের চার মাস বাকী এখনো রাজনৈতিক দলগুলোকে মিটিং করতে দিচ্ছে না, আমাদের অফিস খুলতে দিচ্ছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে এই সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশা করার কোনো উপায় নেই। এর মাধ্যমে সরকার প্রমাণ হয়েছে, তাদের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না।’
ইইউ প্রতিনিধিদলকে জামায়াতের এই নেতা বলেছেন , বর্তমান সরকারের অধীনে ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে নির্বাচনের জালিয়াতি হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৪ জন প্রার্থীকে নির্বাচনের দিনের আগেই নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছিল। আর ২০১৮ সালে নির্বাচনটি আগের রাতে হয়ে গেছে। এর ভিত্তিতে আমরা বলেছি, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য, দেশের অস্তিত্ব রক্ষা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক হলেই আগামী দিনে বাংলাদেশের অস্তিত্ত রক্ষার সম্ভাবনা আছে। সুতরাং নির্দলীয় সরকার বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।’